মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
পাতা

মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযোদ্ধার তালিকা

সাতক্ষীরা সদর থানা :

এই যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন :

সাবমেরিনার লে: গাজী মো. রহমতউল্লাহ, মেজর সামছুল আরেফিন, খিজির আলী, স ম বাবর আলী, কামরুজ্জামান টুকু, শেখ আ. কাইয়ুম, কমান্ডো বজলুল রহমান, আবদুস সাত্তার, জহুরুল হক, কামরুল হুদা, শাহাদাত হোসেন, রমেন্দ্রনাথ, মহেন্দ্র, আ. কাদের, আবুল হোসেন, সৈয়দ আক্রাম, খলিলউল্লাহ, আলফাজউদ্দিন, সুবোধ বিশ্বাস, আ.হক, জিএম আ. রহিম, মাহফুজুল হক, জিএমএ গফ্ফার, বিশ্বনাথ পালিত, আ. গফুর, সুশীল কুমার, সুবোধ কুমার, দিলীপ কুমার রায়, আলফাজ উদ্দিন, শফিক, জবেদ আলী, আশরাফ, প্রফুল্ল কুমারসহ ৪০-৫০জন নৌ-কমান্ডো এবং ২০০ স্থলবাহিনীর গেরিলা মুক্তিযোদ্ধা।

২০ এপ্রিল ১৯৭১ : পাকবাহিনী প্রথম সাতক্ষীরাতে আসে । আসারসময় যশোর-সাতক্ষীরা সড়কের ঝাউডাঙ্গা বাজারে তাদের কনভয় পৌঁছলে ভারতগামী এক বিশাল শরনার্থী দলের ওপর তারা গুলিবর্ষণ করে । তাতে বহু নারী-পুরুষ ও শিশু হতাহত হয়।

২১ এপ্রিল ১৯৭১ : পাকসেনারা সাতক্ষীরা টাউন হাইস্কুলে (বর্তমানে সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়) আশ্রিত শরণার্থীদের মধ্য থেকে অধিকাংশকেপার্শ্ববর্তী দিনেশ কর্মকারের বাড়িতে নিয়ে বেয়নেট দিয়ে খুচিয়ে হত্যা করে । একই দিনে শহরের কাটিয়া এলাকার অ্যাড. কাজী মসরুর আহমেদ ( ক্যাপ্টেন কাজী)এর দ্বিতল বাড়ির পূর্বাংশ ধ্বংস করে এবং তাকে ও তার শ্যালক শেখ মাসুদার রহমানকে গুলি করে হত্যা করে। পাকবাহিনী সুলতানপুর কুমোরপাড়ায় একই পরিবারের তিন ব্যক্তিতে হত্যা করে এবং শেখ মশির আহমেদএর বাড়ি ধ্বংস করে এবং উক্ত বাড়ির সন্মুখে সাতক্ষীরা সিলভার জুবিলি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক আবদুল কাদের ও সাতক্ষীরা কোর্টের মোহরারপুণ্য শাহকে গুলি করে হত্যা করে।

 

২৯ এপ্রিল ১৯৭১ : সাতক্ষীরা সীমান্তের ভোমরায় পাকবাহিনীর সঙ্গে নতুন প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধাদের প্রচন্ড যুদ্ধ হয়। এই যুদ্ধে নেতৃত্ব দেন সুবেদার আইয়ুব আলি।১৬-১৭ ঘন্টাব্যাপী যুদ্ধে মুক্তিবাহিনীর সুবেদার শামসুল হক ও দেবহাটার আবুল কাশেমসহ ৪ জন মুক্তিযোদ্ধা শহীদ হন। দেবহাটা উপজেলার পারুলিয়াতে শহীদ আবুল কাশেমের নামে একটি পার্ক তৈরী করা হয়েছে।

জুন ১৯৭১ :৭ জুন টাউন শ্রীপুর যুদ্ধ সাতক্ষীরা মুক্তিযুদ্ধগুলোর মধ্যে অন্যতম।দেবহাটা উপজেলার ইছামতি নদীর তীরে টাউন শ্রীপুর গ্রামে ক্যাপ্টেন শাহাজানমাস্টারের নেতৃত্বে ৩২ জন মুক্তিযোদ্ধা বিশ্রাম করছিলেন। তারা প্রায় সবাইযুদ্ধক্লান্ত ছিলেন। ভোর রাতে স্থানীয় একজন মোয়াজ্জেম ফজরের নামাজ শেষেমুক্তিযোদ্ধাদের দেখতে পেয়ে খান সেনাদের ক্যাম্পে খবর দেয়। খান সেনারা এসেমুক্তিযোদ্ধাদের ঘিরে ফেলে এবং যুদ্ধ শুরু করে। এই ভয়াবহ সম্মুখ যুদ্ধেশামছুজ্জোহা খান কাজল, নাজমুল আবেদীন খোকন, নারায়ন চন্দ্র হোড়, ইঞ্জিনিয়ারআবুল কালাম আজাদ সহ ৮ জন মুক্তিযোদ্ধা শহীদ হন। আহত হন এরশাদ হোসেন খানচৌধুরী হাবলু ও আব্দুর রশিদ, কানাইদিয়া। স.ম. বাবর আলী এ যুদ্ধে সাহসীভূমিকা পালন করেন।

নভেম্বর ১৯৭১ : নভেম্বর মাসের কোনো এক রাতে মুক্তিযোদ্ধারা সাতক্ষীরা পাওয়ার হাউস ধ্বংস করার লক্ষ্যে কাঁটাতারের বেড়া কেটে সীমানার মধ্যে প্রবেশ করে এবং ইঞ্জিনরুমে দুটো বোমা পুতে রাখে । কিছুক্ষণ পরে বোমা দুটো বিষ্ফোরিত হলে পাওয়ার হাউসের ইঞ্জিন ধ্বংস হয় ।নেতৃত্ব দেন শেখ আব্দুল মালেক সোনা।